কিছুটা বেড়েছে বিএমডব্লি‌উর বিক্রি

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) বিশ্বব্যাপী বিএমডব্লিউর গাড়ি সরবরাহ খানিকটা বেড়েছে।

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) বিশ্বব্যাপী বিএমডব্লিউর গাড়ি সরবরাহ খানিকটা বেড়েছে। জার্মানির অটো খাতের এ জায়ান্ট জানিয়েছে, ওই সময় ইউরোপে গাড়ির চাহিদা বাড়লেও চীনে বিক্রি কমেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ছিল স্থিতিশীল। খবর রয়টার্স।

কোম্পানির প্রতিবেদন অনুসারে, জুনে শেষ হওয়া প্রান্তিকে বিএমডব্লিউ ও এর অধীন ব্র্যান্ড মিনির পাশাপাশি রোলস-রয়েসের সরবরাহ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে দশমিক ৪ শতাংশ। যার পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ২১ হাজার ২৭১ ইউনিট।

এর মধ্যে ইউরোপে বিএমডব্লিউ ও মিনির বিক্রি ১০ দশমিক ১ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। তবে গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় চীনে এপ্রিল-জুনে বিক্রি কমেছে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

বিএমডব্লিউর বিক্রি প্রসঙ্গে মেটসলার ইকুইটিজের বিশ্লেষক পল স্কার্টা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি বিক্রি বেড়েছে। এটি প্রমাণ করে চলমান শুল্ক চাপ ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও দেশটির গাড়ি বাজার স্থিতিশীল রয়েছে।’

এদিকে বিএমডব্লিউর প্রতিদ্বন্দ্বী মার্সিডিজ সম্প্রতি জানিয়েছে, গত প্রান্তিকে উত্তর আমেরিকায় তাদের গাড়ি বিক্রি কমেছে ১৪ শতাংশ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি আমদানীকৃত গাড়ি ও যন্ত্রাংশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য করেছেন। জার্মান গাড়ি নির্মাতারা এ বিষয়ে একটি সমঝোতায় আসতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় বসার চেষ্টা করছেন।

সদ্য আরোপিত এ শুল্ক রদ হলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে বিএমডব্লিউ ও মার্সিডিজ। কারণ উভয় কোম্পানিরই যুক্তরাষ্ট্রে বড় আকারের কারখানা রয়েছে।

গত প্রান্তিকে বিএমডব্লিউর মূল ব্র্যান্ডের পাশাপাশি মিনির কাটতি ছিল। বিশ্লেষক স্কার্টা পলের মতে, মিনির শক্তিশালী পারফরম্যান্সের কারণে সব অঞ্চলে বিএমডব্লিউর বিক্রি বেড়েছে। এর আগে বাজারে কোম্পানির বিক্রি মডেল নিয়ে উদ্বেগ দেখা গিয়েছিল। কিন্তু গত প্রান্তিকে বিক্রি বাড়ায় সে উদ্বেগ কিছুটা লাঘব হয়েছে।

আরও